-
আইইডিসিআরে কুয়েত গমনেচ্ছুদের অপেক্ষা
কুয়েতে যাওয়ার আগে নভেল করোনাভাইরাসের পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করায় যেসব বাংলাদেশি বিপাকে পড়েছিলেন, তাদের সমস্যার সমাধান হয়ে গেল।
কুয়েত
সরকার তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বলে রয়টার্স বৃহস্পতিবার জানিয়েছে।
বিশ্বের ৭৫টি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় লাখ মানুষ নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের শিকার হওয়ার পর মঙ্গলবার কুয়েত সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকায় তাদের দূতাবাস থেকে একটি সনদ নিয়ে তারপর সে দেশে যেতে হবে, যেখানে লেখা থাকবে ওই যাত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নন।
৮ মার্চের পর ওই সনদ ছাড়া বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের নাগরিকদের ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়।
কিন্তু বৃহস্পতিবার কুয়েতের মন্ত্রিসভা আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে।
রয়টার্স জানিয়েছে, কুয়েত সরকার এখন বলছে, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় তারা এখন বাস্তব সমাধানের পথ খুঁজছে, যাতে তাদের নাগরিক ও যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়।
এদিকে কুয়েতের এই সিদ্ধান্ত বদলের আগেই ঢাকায় কুয়েতগামীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে শনিবার সনদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
তার আগে বুধবার যারাই ঢাকার কুয়েত দূতাবাসে সনদের জন্য গিয়েছিলেন, তাদের সেখান থেকে একটি ফরম দিয়ে পিসিআর পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়।
কেউ নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কি না, তা বোঝার একমাত্র উপায় রক্ত বা লালার পিসিআর (পলিমেরেজ চেইন রিঅ্যাকশন) পরীক্ষা। আর বাংলাদেশে ওই পরীক্ষার সুযোগ আছে কেবল রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট-আইইডিসিআরে।
কিন্তু আইইডিসিআর থেকে তাদের জানানো হয়েছিল, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। কুয়েত দূতাবাসও তাদের কিছু জানায়নি।
এই ঠেলাঠেলির মধ্যে বিপাকে পড়েন বহু প্রবাসী বাংলাদেশি, যারা ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন।
এরকম কয়েকশজন মহাখালীতে আইইডিসিআরের ফটকে জড়ো হয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করে।
সেই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে কভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির প্রথম সভা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আজাদ এরপর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে সকাল ১০টা থেকে কুয়েতকগামীদের পরীক্ষা শুরু হবে।
“আমরা তাদের ক্লিনিক্যাল এক্সামিনেশন করব, তাদের হিস্ট্রি নেব, দেখব করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ-উপসর্গ আছে কি না। সবকিছু ঠিক থাকলে আমরা তাদের একটা সার্টিফিকেট দিয়ে দেব।”
এই সনদ নিতে হলে কুয়েত গমনেচ্ছুদের পাসপোর্ট, বিমানযাত্রার টিকেট এবং টিকেটের ফটোকপি আনতে বলা হয়।
যাদের বিমানযাত্রা আগে, তাদের পরীক্ষাও আগে করা হবে বলে জানান অধ্যাপক আজাদ।
তবে কুয়েত সিদ্ধান্ত বদলানোয় এখন এই পরীক্ষার প্রয়োজন হচ্ছে না। bdmews24.com
বিশ্বের ৭৫টি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় লাখ মানুষ নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের শিকার হওয়ার পর মঙ্গলবার কুয়েত সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকায় তাদের দূতাবাস থেকে একটি সনদ নিয়ে তারপর সে দেশে যেতে হবে, যেখানে লেখা থাকবে ওই যাত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নন।
৮ মার্চের পর ওই সনদ ছাড়া বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের নাগরিকদের ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়।
কিন্তু বৃহস্পতিবার কুয়েতের মন্ত্রিসভা আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে।
রয়টার্স জানিয়েছে, কুয়েত সরকার এখন বলছে, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় তারা এখন বাস্তব সমাধানের পথ খুঁজছে, যাতে তাদের নাগরিক ও যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়।
এদিকে কুয়েতের এই সিদ্ধান্ত বদলের আগেই ঢাকায় কুয়েতগামীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে শনিবার সনদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
তার আগে বুধবার যারাই ঢাকার কুয়েত দূতাবাসে সনদের জন্য গিয়েছিলেন, তাদের সেখান থেকে একটি ফরম দিয়ে পিসিআর পরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠানো হয়।
কেউ নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কি না, তা বোঝার একমাত্র উপায় রক্ত বা লালার পিসিআর (পলিমেরেজ চেইন রিঅ্যাকশন) পরীক্ষা। আর বাংলাদেশে ওই পরীক্ষার সুযোগ আছে কেবল রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউট-আইইডিসিআরে।
কিন্তু আইইডিসিআর থেকে তাদের জানানো হয়েছিল, এ বিষয়ে তাদের কাছে কোনো নির্দেশনা আসেনি। কুয়েত দূতাবাসও তাদের কিছু জানায়নি।
এই ঠেলাঠেলির মধ্যে বিপাকে পড়েন বহু প্রবাসী বাংলাদেশি, যারা ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন।
এরকম কয়েকশজন মহাখালীতে আইইডিসিআরের ফটকে জড়ো হয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করে।
সেই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে কভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় সমন্বয় কমিটির প্রথম সভা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আজাদ এরপর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মহাখালীর জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে সকাল ১০টা থেকে কুয়েতকগামীদের পরীক্ষা শুরু হবে।
“আমরা তাদের ক্লিনিক্যাল এক্সামিনেশন করব, তাদের হিস্ট্রি নেব, দেখব করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ-উপসর্গ আছে কি না। সবকিছু ঠিক থাকলে আমরা তাদের একটা সার্টিফিকেট দিয়ে দেব।”
এই সনদ নিতে হলে কুয়েত গমনেচ্ছুদের পাসপোর্ট, বিমানযাত্রার টিকেট এবং টিকেটের ফটোকপি আনতে বলা হয়।
যাদের বিমানযাত্রা আগে, তাদের পরীক্ষাও আগে করা হবে বলে জানান অধ্যাপক আজাদ।
তবে কুয়েত সিদ্ধান্ত বদলানোয় এখন এই পরীক্ষার প্রয়োজন হচ্ছে না। bdmews24.com
No comments:
Post a Comment