Wednesday, February 19, 2020

কম দক্ষ শ্রমিকদের ভিসা দেবে না যুক্তরাজ্য

স্টার অনলাইন রিপোর্ট
কম দক্ষ ও ইংরেজি বলতে না পারা শ্রমিকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে যুক্তরাজ্যের দরজা। ব্রেক্সিট পরবর্তী নতুন পরিকল্পনায় কম দক্ষতাসম্পন্ন শ্রমিকদের ভিসা দেয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।
ইউরোপ থেকে ‘সস্তা শ্রমিক’ নেয়ার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত নন- সবাইকেই সমানভাবে দেখা হবে।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিতি প্যাটেল বিবিসিকে জানান, দক্ষ শ্রমিকদের মূল্যায়ন করতে চায় সরকার সেইসঙ্গে যারা কম দক্ষতা সম্পন্ন তাদের যুক্তরাজ্যে আসা কমাতে চায়।
পরিকল্পনা অনুসারে দক্ষ শ্রমিকদের এ লেভেল অথবা স্কটিশ হাইয়ার্স সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকার কথা বলা হয়েছে। পয়েন্টের ভিত্তিতে অভিবাসন পদ্ধতি করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য সরকার। নতুন নিয়মে ৭০ পয়েন্ট থাকতে হবে দেশটিতে কাজ করতে আগ্রহীদের।
যারা ইংরেজি বলতে পারেন এবং অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চাকরির অফার পাবেন ৫০ পয়েন্ট পাবেন তারা।

ডেইলী স্টার।

Tuesday, February 18, 2020

প্রবাসীদের দারুণ সুখবর দিল কাতার সরকার

প্রবাসীদের দারুণ সুখবর দিল কাতার সরকার
সাময়িক বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হয়েছে কাতারের শ্রমবাজার।
এ সুসংবাদ জানার পর আরেকটি সুখবর পেলেন কাতারে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা।
তাহলো - এক মাসের জন্য নয়, অভিবাসীদের পরিবারের জন্য ৫ বছর মেয়াদী ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসা দেবে কাতার সরকার।
দেশটিতে বৈধভাবে কর্মরত প্রবাসীরা এখন থেকে ইচ্ছা করলে তাদের পরিবারের সদস্যদের খুব সহজেই নিয়ে আসতে পারবেন।
মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসা আবেদনের নিয়মাবলীও জানিয়ে দেয়া হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
যা যা লাগবে:
১. আবেদনকারীর ভ্যালিড কাতার আইডির ফটোকপি।
২. আবেদনকারীর কাতারে কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে সেটা ও সেলারি সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি।
৩. যাদের জন্য আবেদন করা হবে তাদের সবার পাসপোর্টের ফটোকপি।
৪. স্ত্রীর জন্য ম্যারেজ সার্টিফিকেট ও বাচ্চাদের জন্য তাদের জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট।
৫. পরিবারের কোনো সদস্যের বয়স যদি ১৮ বছরের ওপরে হলে তার জন্য নিজ ইউনিয়ন/উপজেলা/পৌরসভা অথবা সিটি কর্পোরেশন থেকে চারিত্রিক সনদপত্র নিতে হবে।
অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য:
১. ভিসা আবেদন ফর্মটি আরবিতে টাইপ করতে হবে এবং পাসপোর্টে দেয়া তথ্য অনুযায়ী সব তথ্য পূরণ করতে হবে।
২. আবেদন ফরম ও সঙ্গে দেয়া প্রতিটি কাগজ অবশ্যই স্পষ্ট ও বোধগম্য হতে হবে।
৩. যাদের জন্য আবেদন করা হবে তাদের সবাইকে বাংলাদেশে অবস্থিত ঢাকা বা সিলেটের কাতার ভিসা সেন্টারে মেডিকেল পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে।
৪. তথ্যগুলো কাতারের ভিসা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করার পর ভিসা এপ্রুভালের অনুমোদন প্রদান করবে।
৫. প্রতিটি আবেদনের জন্য ২০০ কাতার রিয়েল প্রদান করতে হবে।
৬. আবেদনকারীরা চাইলে মাতরাশ-২ (হুকুমি মোবাইল অ্যাপ) এর মাধ্যমেও আবেদন কর‍তে পারবেন।
ভিসা আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন: ভিসা আবেদন ফরম
প্রসঙ্গত, কাতারে গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশি প্রবাসীদের হাতে দুই জন নেপালি নাগরিক খুন হয়। এর প্রভাব পরে কাতারের শ্রমবাজারেও। কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য ভিসা বন্ধ করে দেয় কাতার সরকার। এতে বাংলাদেশ থেকে দেশটিতে জনশক্তি রফতানি বন্ধ হয়ে যায়।
তবে সম্প্রতি হঠাৎ করেই সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে কাতার প্রশাসন।

Thursday, February 13, 2020

আরও ১৮৩ শ্রমিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

স্টার অনলাইন রিপোর্ট
সৌদি আরব আরও ১৮৩ জন প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীকে ফেরত পাঠিয়েছে। গত বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার ফিরে আসা এই শ্রমিকদের মধ্যে ২০ জন নারী রয়েছেন।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের দুটি ফ্লাইটে এই শ্রমিকরা ফিরেছেন। বুধবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করা ফ্লাইটে ৮৯ জন ও আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ১০ মিনিটে আরও ৯৪ জন এসেছেন।
প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক থেকে ফিরে আসা শ্রমিকদের খাবার ও পানীয় জলসহ জরুরি সেবা দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম এই ডেস্ক স্থাপন করেছে।
ব্র্যাক আরও জানায়, গত রাতে সৌদি আরব থেকে আট জন বাংলাদেশির মরদেহ পাঠিয়েছে সৌদি আরব।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান জানান, শুধুমাত্র জানুয়ারি মাসেই তিন হাজার ৬৩৫ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব। এদের মধ্যে অনেকেই ফিরেছেন খালি হাতে।
প্রবাসী শ্রমিকদের অসহায় অবস্থায় যেন ফিরতে না হয়, তার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর কারণ খুঁজে বের করার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাসের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Wednesday, February 12, 2020

লেবানন থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ৪৭১ প্রবাসীকে টিকেট প্রদান

টিকেট প্রদান
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ৪৭১ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে টিকেট প্রদান করেন বৈরুত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার।
দেশে ফিরতে যারা প্রথম ধাপে নাম নিবন্ধন করেছে তাদের মধ্য থেকে নারী-পুরুষ, অসুস্থ ২৪ জনসহ মোট ৪৭১ জনকে জেনারেল সিকিউরিটি থেকে ক্লিয়ারেন্স নিয়ে exist ভিসা পাওয়ার পর আজ তাদেরকে টিকেট প্রদান করে বাংলাদেশ দূতাবাস।
পূর্ব নির্ধারিত সময় সকাল ন'টা থেকে নারী এবং দুপুর ২টায় পুরুষকর্মীদের হাতে টিকেট প্রদান করার কার্যক্রম শুরু হয়। টিকেট পাওয়া প্রবাসীরা ১৫ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ছয়টি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন।
গত পাঁচ থেকে ছয় মাস লেবাননের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে হঠাৎ করে প্রবাসীদের কাজ কর্ম নেই, যাদের কাজ আছে তাদের মালিক ঠিকমতো বেতন দিতে পারছে না, লেবানিজ মূদ্রায় বেতন পেয়ে মানিগ্রামসহ বিভিন্ন মাধ্যমগুলো গ্রহণ না করাতে প্রবাসীরাও নিজ দেশে টাকা পাঠাতে পারছে না।
এমন অবস্থায় এদেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকজন দীর্ঘদিন যাবত দশ থেকে বারো বছরের অধিক বসবাসকারী দেশে ফিরতে আগ্রহী ছিল কিন্তু বর্তমানে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে তারা সবাই একসঙ্গে চলে যেতে চাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে প্রায় পাঁচ হাজার প্রবাসীর নাম নেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, দূতাবাসে এই কার্যক্রম বন্ধ রেখে একটা নিরাপদ জায়গা খুঁজছে। যেখানে সকল প্রবাসীদের নাম নেয়া যায় তাই দূতাবাস চাচ্ছেন একটা স্টেডিয়াম বা একটা কমিউনিটি সেন্টার। পাওয়া মাত্রই অচিরে আবার নাম নেয়া শুরু করবেন। এ ধাপে স্বেচ্ছায় ফিরতে আগ্রহী সবার নাম নেয়ার আশ্বস্ত করে সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন রাষ্ট্রদূত।
এছাড়া তিনি বলেন, ৪৭১ জনকে দেশে ফিরতে টিকেট দেয়া হয়েছে আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে আরও প্রায় ৪৭০/৪৭৫ জনের টিকেট দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। আগামী তারিখ থেকে এক-দেড় মাসের মধ্যে আরও প্রায় দুই হাজার জনকে টিকেট দেয়ার আশা ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত।
অবশেষে দীর্ঘ সাড়ে চার বছর দূতাবাসের দায়িত্ব ইতি দিয়ে দেশে চলে যাচ্ছেন বলে সবার নিকট দোয়া চেয়েছেন। তিনি সকল প্রবাসীদের মঙ্গলময় জীবন কামনা করেন।

Saturday, February 8, 2020

অভিবাসী শ্রমিকদের কাফালা ব্যবস্থা বাতিল করছে সৌদি

কাফালা ব্যবস্থা বাতিল করছে সৌদি
ছবি: সংগৃহীত
বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ বিষয়ক ‘কাফালা’ ব্যবস্থা বাতিল করছে সৌদি আরব। শ্রমিকদের অধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বহু বছরের বিতর্কের জেরে কর্মীদের কাফালা বা স্পন্সরশিপ ব্যবস্থা বাতিল করতে যাচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
শনিবার সৌদি গেজেট এ খবর জানিয়েছে। কাফালা ব্যবস্থা কয়েক দশকের পুরনো ব্যবস্থা। বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ দিতে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়। এসব শ্রমিকের বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।
এ ব্যবস্থায় সৌদি নিয়োগ কর্তাদের হাতে শ্রমিকদের পুরো দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে। কিন্তু এর সুযোগ নিয়ে সৌদি আরবে শ্রমিকদের নির্যাতনের অভিযোগ আছে তাদের নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে।
১৯৫০-এর দশকে প্রবর্তিত এ ব্যবস্থায় প্রবাসী শ্রমিকদের তাদের নিয়োগকর্তা ও স্পন্সরের নির্দেশে চলতে হয়। এমনকি তাদের অনুমতি ছাড়া সৌদি আরবে আসা-যাওয়া করা যায় না। এককথায়, নিয়োগকর্তা শ্রমিকদের ভিসা ও আইনি অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করেন।
এ ব্যবস্থা শুধু সৌদি আরব নয়, পুরো উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রচলিত রয়েছে। মিডল ইস্ট মনিটর জানায়, মূলত নির্মাণ ও গৃহকর্মে নিযুক্ত শ্রমিকদের বড় ধরনের নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়।
মজুরি না পাওয়া, কম মজুরি প্রদানসহ শারীরিক মারধরের মতো অভিযোগ নিয়মিত করছেন শ্রমিকরা। ২ বছর আগে কুয়েতে একটি ফ্রিজে ফিলিপাইনের এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
সৌদি গেজেট বলেছে, কাফালা ব্যবস্থা বাতিলের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তাতে করে শ্রমিকদের সৌদি আরবে যাওয়া ও সেখান থেকে চলে আসার স্বাধীনতা থাকবে। এতে তাদের নিয়োগকর্তা বা স্পন্সরের অনুমোদন লাগবে না। এছাড়া সরকারি অনুমোদন ছাড়াই কাজে যোগ দিতে পারবেন শ্রমিকরা।
খবরে আরও বলা হয়েছে, যদি এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয় তাহলে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে এটি হবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সংস্কার। যুবরাজের ভিশন ২০৩০ উদ্যোগে সৌদি অর্থনীতিতে তেলনির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাফালা ব্যবস্থা বাতিল নিয়ে দীর্ঘদিনে ধরেই আলোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে কাতার এ ব্যবস্থায় কিছুটা সংস্কার এনেছে। দেশটিতে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকরা নিয়োগকর্তার অনুমোদন ছাড়াই দেশত্যাগ করতে পারেন।
এর আগে ২০১৭ সালেও সৌদি আরব এ ব্যবস্থা বাতিলের উদ্যোগ নিচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করেছিল।
Jugantor

Friday, February 7, 2020

প্রকাশ : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:৪৮ অনলাইন ভার্সন Share প্রিন্ট করুন printer ‘ডুয়িং বিজনেস উইথ বাংলাদেশ’ মেলা ফ্লোরিডায় ১৮ ফেব্রুয়ারি

‘ডুয়িং বিজনেস উইথ বাংলাদেশ’ মেলা ফ্লোরিডায় ১৮ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানানোর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে মায়ামী সংলগ্ন ব্রাউয়ার্ড কাউন্টি দিনব্যাপী এক সেমিনার-প্রদর্শনী- বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছে।
১৮ ফেব্রুয়ারি মিরামার সিটির কালচারাল সেন্টারে ‘ডুয়িং বিজনেস উইথ বাংলাদেশ’ (বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা কর) শীর্ষক এ বাণিজ্য মেলায় থাকবে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ছাড়াও বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন এমন প্রবাসীরা।
এ মেলা আয়োজনে সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে ফ্লোরিডাস্থ ‘বাংলাদেশি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স।’ সংগঠনের প্রধান আতিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহীদেরকেই এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কী কী সেক্টরে বিনিয়োগ করলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হওয়া যাবে তা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। এই মেলার মাধ্যমে বিনিয়োগে আগ্রহীদের একটি টিম ভিজিট করবে বাংলাদেশ। সে সময় তারা বাণিজ্য মন্ত্রী, বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মকর্তার সাথে বৈঠক ছাড়াও সম্ভাব্য এলাকা সফর করবেন।
উল্লেখ্য, ফ্লোরিডাভিত্তিক ৫১ দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের সমন্বয়ে গঠিত ‘বাই-ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স’ এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট আতিকুর রহমানের চেষ্টায় শুধু বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিয়ে ফ্লোরিডা তথা যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের বাণিজ্য মেলা আর কখনও হয়নি।
বিডি প্রতিদিন/কালাম

সাত মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১১ বিলিয়ন ডলার

সাত মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১১ বিলিয়ন ডলার
ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে প্রণোদনা দেওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে ইতিবাচক ধারায় রয়েছে রেমিট্যান্স। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ১ হাজার ১০৪ কোটি ১৯ লাখ (১১ দশমিক ০৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। আর একক মাস হিসেবে গত জানুয়ারিতে দেশে ১৬৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।
গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা ছিল এক মাসের হিসাবে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এখন পর্যন্ত এক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে বাংলাদেশ। যা ২০১৯ সালের মে মাসে এসেছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য থেকে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারির চেয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারিতে প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স বেশি এসেছে।
গত অর্থবছরের এই সাত মাসে ৯০৯ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। চলতি অর্থবছরের সাত মাসে এসেছে ১ হাজার ১০৪ কোটি ১৯ লাখ ডলার। শতাংশ হিসাবে জুলাই-জানুয়ারি সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছর রেমিট্যান্সের জন্য সুখরব নিয়ে শুরু হয়েছিল। প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছিল ১৫৯ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। আগস্ট মাসে এসেছিল ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এরপর সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৪৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। অক্টোবর মাসে আসে ১৬৪ কোটি ডলার। নভেম্বরে এসেছিল ১৫৫ কোটি ৫২ লাখ ডলার।
অর্থবছর হিসাবে ২০১৮-১৯-এ ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল আরো বেশি। সে অর্থবছরে ১৭ দশমিক ৩২ শতাংশ রেমিট্যান্স বেড়েছিল।
বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উত্সাহ দিতে রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রবাসীরা এখন ১০০ টাকা দেশে পাঠালে যার নামে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি ঐ ১০০ টাকার সঙ্গে ২ টাকা যোগ করে ১০২ টাকা তুলতে পারছেন। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের জিডিপিতে ১২ শতাংশ অবদান রাখে প্রবাসীদের পাঠানো এই বৈদেশিক মুদ্রা।

Monday, February 3, 2020

উদ্ধারকৃতদের বিচ্ছিন্ন দ্বীপে নিল অস্ট্রেলিয়া


চীনের প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের ২৬টি দেশে। এ পরিস্থিতিতে সেখান থেকে নিজেদের নাগরিকদের উদ্ধার করছে বিভিন্ন দেশ। করোনাভাইরাস উপদ্রুত উহান থেকে ২৪৩ যাত্রী নিয়ে গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় গভীর রাতে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছায় একটি বিশেষ বিমান। যাত্রীদের মধ্যে ৮৯ শিশু রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃতদের একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দেশটির সমুদ্রতীরবর্তী একটি কুখ্যাত ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তাদের। কান্তাস চার্টার ফ্লাইটটি ২৪৩ যাত্রী নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর এক্সমোথের নিকটবর্তী বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে নামে। এরপর অস্ট্র্রেলিয়ার নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দাদের একটি ছোট বিমানে করে ক্রিসমাস দ্বীপে পাঠানো হয়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিস পেইন বলেন, অত্যন্ত নিবিড় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বোর্ডিং ব্যবস্থাপনা হওয়ায় ফ্লাইটটির উহান ছাড়তে বিলম্ব হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় অভিবাসীদের চিকিৎসা পরীক্ষাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদ্ধারকৃতদের কমপক্ষে ১৪ দিন বিচ্ছিন্ন দ্বীপে থাকতে হবে। খবর এএফপির।

করোনা ভাইরাস: কেমন আছে প্রবাসী কর্মজীবী বাংলাদেশিরা?

উহান থেকে তিনশ রও বেশি শিক্ষার্থী বাংলাদেশে ফিরে গেলেও চীন অবস্থান করছে কর্মজীবী বাংলাদেশিরা। চীনে চান্দ্র নববর্ষের ছুটিতে কেউ কেউ বাংলাদেশে চলে গেলেও অসংখ্য চাকরীজীবী, ব্যবসায়ী বাংলাদেশি তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে চীনেই থেকে গেছেন। ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে তাদের মাঝেও।
এএমশিন টেক লিমিটেড সেনজেন কোম্পানির কর্ণধার হাসান মো. একরামুল হক বাপ্পা বলেন, “সেনজেন বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে সেনজেনে বসবাসরত একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হিসেবে আমি বলবো যে, এখানে সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি, আধা সরকারি অফিস আদালতের চীনা নববর্ষের ছুটি ১০ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কোনও প্রকার প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। যদি কোনও প্রয়োজনে  বাইরে যেতে হয় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করার কথা বারবার বলা হয়েছে।”
চীনা নববর্ষের ছুটির শেষদিন ছিল সোমবার।
হাসান মো. একরামুল হক
হাসান মো. একরামুল হক
ব্যবসায়ী হাসান মো. একরামুল হক বলেন, “আরেকটি ব্যাপার হলো, প্রথম যখন ভাইরাসটি ধরা পড়েছিল তখন শাক-সবজি বা অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের যে ক্রাইসিস ছিল এখন সেটা নেই। সত্যিকার অর্থে বাইরে লোকজনের আনাগোনা খুবই কম। তবে যেহেতু এ মাসের দশ তারিখ থেকে ব্যবসায়ীরা তাদের কাজ শুরু করতে পারবেন, সেহেতু বিভিন্ন প্রদেশের নাগরিক যারা সেনজেনে ব্যবসা করেন, তারা অনেকেই ছুটি শেষে সেনজেনে ফিরতে শুরু করেছেন।”
বাংলাদেশ থেকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে সেনজেন বা চীনের অন্যান্য প্রদেশে যারা আসা-যাওয়া করেন তাদেরকে পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। 
মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন
মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন
করোনাভাইরাস নিয়ে সাংহাই এর উক্রিসেন্ট এ কর্মরত প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, “আমি টেকনিক্যাল লিড, এক্সচেঞ্জ অনলাইন এক্সপার্ট হিসেবে কর্মরত আছি গত আটমাস যাবত। আমার অফিস লোকেশন সাংহাই এর মিনহাং জেলাতে। এখানে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও বেশ খানিকটা আতংক আমাদের মাঝে বিরাজ করছে। প্রতিনিয়ত ছড়ানো বিভিন্ন গুজব  পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। তবে আমাদের অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স এবং অফিস কর্তৃপক্ষ তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করায় কিছুটা হলেও আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে।”
“যেমন, অফিস থেকে প্রতিনয়ত মাস্ক দেওয়া হচ্ছে। একদম নতুন যারা কাজে যোগ দিয়েছেন অন্য প্রদেশ থেকে, তাদের ১৪ দিন এক জায়গায় রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তারপর কাজে লাগানো হচ্ছে। একইসাথে অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ লবি, লিফট এরিয়া, কমনপ্লেসগুলো বারবার অ্যান্টিসেপ্টিক দিয়ে পরিষ্কার রাখছে।”
“সবাই তাদের জায়গা থেকে সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করছে। সর্বোপরি দেশে থাকা পরিবার, আত্তীয়স্বজনদের বলবো উদ্বিগ্ন না হয়ে, আমাদের জন্য দোয়া করার জন্য।”
হুমায়ুন কবির খাঁন
হুমায়ুন কবির খাঁন
এক্সপো ট্রেড গুয়াংজু লিমিটেডের মালিক হুমায়ুন কবির খাঁন বলেন, “আমি গুয়াংজুতে সপরিবারেই রয়েছি। বর্তমানে দুই-তিনটি বাংলাদেশি পরিবার এখানে আছে। আরও ১০/১৫টি চীনা পরিবার রয়েছে। চীনা নববর্ষের ছুটিতে এখন বাকি বাংলাদেশি পরিবারগুলো দেশে অবস্থান করছেন। এ মুহূর্তে করোনাভাইরাসের বিস্তারের কারণে আমরা গুয়াংজুতে উৎকণ্ঠার মধ্যে আছি। আমাদের এই প্রদেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের অবস্থা থমথমে।
“অপ্রয়োজনে কেউ ভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। শহরের বিভিন্ন জায়গায় মেডিক্যাল টিম চেকআপ করছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা কিছুটা সীমিত করা হয়েছে। হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কাঁচাবাজারের সরবরাহ কম, ফলে দাম বাড়ছেই। ছুটি শেষ হয়ে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার পর যেকোনও দুর্যোগ মোকাবেলায লোকাল সরকারকে পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হল বাস, মেট্রো এবং বাসার এলাকায় প্রবেশ করার সময় শরীরের তাপমাত্রা দেখা হয়, যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে; এতে বোঝা যায় সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ওরা বদ্ধ পরিকর।”

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি
ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি। ছবি: সংগৃহীত
ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও এক বাংলাদেশি।
স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে আদম হাসপাতালের মর্গে নিয়ে গেছে। আহত অপর একজনকে নেজুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার কাজ শেষে বাইসাইকেলে করে বাসায় ফেরার পথে ওমানের আদম এলাকায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ওই গাড়ির চালক ছিলেন ওমানি এক নারী।
নিহতদের মধ্যে দুই জনের বাড়ি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও একজনের কমলগঞ্জ উপজেলায়। অপরজনের বাড়ি কোন এলকায় তা নিশ্চিত করা যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস।
নিহতরা হলেন- মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের বিলেরপার গ্রামের মুসলিম আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৩৫), শরীফপুর ইউনিয়নের সঞ্জরপুর গ্রামের সবুর আলী (৩৩) ও কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের চিতলীয়া বাজারের টিলালাইন এলাকার আলম আহমেদ (৩৫)। অপরজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
 যুগান্তর।