Monday, April 27, 2020

কোভিড-১৯করোনায় নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সার্জেন্ট চাঁদপুরের জিয়াউলের মৃত্যু

নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সার্জেন্ট চাঁদপুরের জিয়াউল আহসান
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সার্জেন্ট চাঁদপুরের জিয়াউল আহসান। ছবি: যুগান্তর
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের সার্জেন্ট বাংলাদেশের জিয়াউল আহছান।
তিনি চাঁদপুর শহরের হাজী মহসীন রোডের বাগ-এ-আহছান নামক বাড়ির ছেলে। তার বাবা ভাষাসৈনিক মরহুম অ্যাডভোকেট এ এফ এম ফজলুল হক।
নিউইয়র্কে জিয়াউল আহসানের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাই সুফিয়ান আহসান।
তিনি জানিয়েছেন, ২৫ দিন ধরে প্রাণঘাতী করোনার সঙ্গে যুদ্ধ করে রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টায় জিয়াউল আহছান মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২ এপ্রিল থেকে নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর শহরের গনি মডেল হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন জিয়াউল আহসান। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

Sunday, April 26, 2020

বাহরাইন থেকে ফিরলেন ১৩৮ বাংলাদেশি

বাহরাইন থেকে ফিরলেন ১৩৮ বাংলাদেশি
বৈশিক মহামারী করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে বাহরাইন থেকে ১৩৮ জন দেশে ফিরেছেন। এসব বাংলাদেশিরা দেশটিতে আটকা পড়েছিলেন।
একটি বিশেষ ফ্লাইটে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রোববার বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে পৌঁছান তারা।
রোববার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এএইচএম তৌহিদ-উল-আহসান। তিনি বলেন, দেশে ১৩৮ বাংলাদেশিদের করোনা আছে কিনা- সেটির সার্টিফিকেট নেই। তাই তাদের হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসে ১৯৮ বাংলাদেশির মৃত্যু

শনিবার মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিরা হলেন মিজানুর রহমান, ফরিদ আহমেদ ছাইদুল, বাবলী নেওয়াজ ও মহিউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
শনিবার মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিরা হলেন মিজানুর রহমান, ফরিদ আহমেদ ছাইদুল, বাবলী নেওয়াজ ও মহিউদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও চার বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিরা হলেন মিজানুর রহমান, ফরিদ আহমেদ ছাইদুল, বাবলী নেওয়াজ ও মহিউদ্দিন। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় ১৯৮ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হলো।
রোববার বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
করোনায় মৃত্যু হওয়া বাবলী নেওয়াজ বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব পারফর্মিং আর্টসের সহসভাপতি ছিলেন। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৫ এপ্রিল ভোরে জ্যামাইকার কুইন্স হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি জ্যামাইকায় বসবাস করতেন। তার স্বামী অনেক আগে মৃত্যুবরণ করেছেন। দুই সন্তান মুনমুন নেওয়াজ ও তৃণা নেওয়াজ এবং এক নাতনিকে রেখে গেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসের আক্রমণে ৫৪ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এখন মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজারেরও বেশি। আর করোনা আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছে ২ লাখ ৭১ হাজার ৫৯০ জন। প্রতিদিন গড়ে এক হাজার করে নতুন সংক্রমণের রোগী হাসপাতালে যাচ্ছেন। নিউইয়র্কে দিনে ২০ হাজার মানুষের করোনা টেস্ট করা সম্ভব হচ্ছে। অচিরেই এ টেস্টের সংখ্যা ৪০ হাজারে নিয়ে যাওয়া হবে বলে গভর্নর জানিয়েছেন।
গভর্নর কুমো বলেছেন, তিনি নির্বাহী আদেশে রাজ্যের ফার্মেসিগুলোতে করোনাভাইরাস টেস্টিং সুবিধা বিস্তৃত করছেন। ফার্মেসিগুলো টেস্টিং উপাত্ত গ্রহণ করে ল্যাবে পাঠাবে। ল্যাব থেকে টেস্টিং করে ফলাফল ফার্মেসিতে ফেরত পাঠাবে। ফলে দ্রুত রাজ্যের অধিকাংশ মানুষের জন্য করোনাভাইরাস টেস্টিং সুবিধা বিস্তৃত হবে। নগরীর ফার্স্ট রেসপন্ডার, জরুরি বিভাগ ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টেস্ট করা হচ্ছে। এরপরই এমটিএ, পুলিশসহ সামনের সারির জরুরি কর্মীদের অগ্রাধিকার দিয়ে টেস্টিং করা হবে। দ্রুতই নিউইয়র্কের সর্বত্র টেস্টিং সুবিধা সহজলভ্য করা হবে বলে গভর্নর জানিয়েছেন।
নগরীর মেয়র বিল ডি ব্লাজিও জানিয়েছেন, নগরীতে করোনায় আক্রান্ত মানুষের গড় বয়স দেখা গেছে ৫১ বছর। নগরীতে আক্রান্তের মধ্যে ৫২ শতাংশ পুরুষ এবং ৪৮ শতাংশ নারী বলে এ পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে।

ইতালিতে করোনা মহামারীতে প্রবাসীদের পাশে বাংলাদেশি দূতাবাস

ইতালিতে করোনা মহামারীতে প্রবাসীদের পাশে বাংলাদেশি দূতাবাস
বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে আর্থিক সমস্যা থাকায় ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন রোমে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ২৫ লাখ টাকা ইতালির বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীদের সহযোগিতা দেয়া হয়।
গোটা ইতালি এখন লকডাউন থাকায় সরাসরি কেউ যেতে পারছেন না বলে দূতাবাস ঘোষিত জোন ভিত্তিক দোকান থেকে প্রবাসীরা নামের তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারবেন বলে দূতাবাস থেকে জানানো হয়।
সম্প্রতি দূতাবাস একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রবাসীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এতে বলা হয়, যে সব প্রবাসী করোনাভাইরাসের কারণে আর্থিক অসুবিধায় আছেন, তারা দূতাবাসের সঙ্গে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সহযোগিতা নিতে পারেন।
পরে বাংলাদেশিরা দূতাবাসে ইমেইল পাঠাতে থাকেন। দূতাবাসের কাছে মোট ১৮শ' ইমেইল আসে। এরমধ্যে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃতপক্ষে যাদের খারাপ অবস্থা এমন ৬শ' জনকে সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের (শ্রম ও কল্যান) কাউন্সিলর এরফানুল হক জানান, সরকারের পক্ষ থেকে প্রবাসীদের সহযোগিতা করতেই আমরা কাজ করছি। খুব স্বচ্ছতার সাথে এ সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে বাংলাদেশিদের মাঝে।
প্রত্যাককে যাচাই করে অসুবিধায় থাকা ব্যক্তিদেরই কেবল সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। ৬শ' জনের মধ্যে রোমে ২৫০, নাপলি ৭৫, দক্ষিণ সিসিলির পালেরমো ৭৫, বারি শহর, কাতানিয়া, আনকোনা ও ফ্লোরেন্সে ৫০ জনকে এ প্রণোদনা দেয়া হয়।
তিনি জানান, রোমে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত আব্দুস সোবাহান সিকদারের সার্বিক সহযোগিতায় এই অর্থ প্রবাসীদের মাঝে বন্টণ করা হয়েছে।

কানাডায় করোনায় সপ্তম বাংলাদেশির মৃত্যু কানাডায় করোনায় সপ্তম বাংলাদেশির মৃত্যু

মোহাম্মদ আবু নাসের
মোহাম্মদ আবু নাসের। ছবি: যুগান্তর
কানাডার টরেন্টোতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার টরন্টোর ডেভেনপোর্ট এলাকায় অ্যাপার্টমেন্টে তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে করোনাভাইরাসে দেশটিতে সাত বাংলাদেশির মৃতু হলো।
মৃত প্রবাসীর নাম মোহাম্মদ আবু নাসের (৭১)। তার দেশের বাড়ি নোয়াখালী জেলার চাটখিলে। তবে ঢাকার ফার্মগেট এলাকার জাহানারা গার্ডেনে দীর্ঘদিন ধরে পরিবার নিয়ে থাকতেন। তিনি ২০০৬ সালে কানাডায় যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার টরন্টোর ডেভেনপোর্ট এলাকায় অ্যাপার্টমেন্টে মোহাম্মদ আবু নাসের মৃত্যু হয়। তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছেন। তবে মৃত্যুকালে আপন কেউ তার কাছে ছিলেন না।
তার বড় ছেলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন এবং বাকি ছেলে মেয়েরা দেশে থাকেন। কিছুদিন আগে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে দেশে বেড়াতে যান এবং একাই কানাডা ফেরেন।
শনিবার অপরাহ্নে রিচমন্ড হিলের সেমিটারিতে তাকে ধর্মীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, অটোয়ায় গত ৪ এপ্রিল শরিয়তুল্লাহ, ৫ এপ্রিল টরন্টোতে মুক্তিযোদ্ধা হাজী তুতিউর রহমান, ১০ এপ্রিল ওমর শেখ ও জামাল আলী, ১৭ এপ্রিল বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট সালাম শরিফ, ১৮ এপ্রিল শওকত আলী মারা যান।
কানাডায় এখন পর্যন্ত ৪৫ হাজার ৫৮৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৪৯০ জনের এবং সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ১৬ হাজার ৫১৯ জন।

করোনায় সৌদিতে মৃত্যুর মিছিলে আরও এক বাংলাদেশি, মোট ৩৯

ইসমাইল হোসেন (সেলিম)
ইসমাইল হোসেন সেলিম। ছবি-সংগৃহীত
মহামারী করোনাভাইরাসে সৌদি আরবে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।এ নিয়ে দেশটিতে ৩৯ বাংলাদেশির মৃত্যু হলো।
রোববার রাতে সৌদি আরবের জেদ্দায় মারা গেছেন ইসমাইল হোসেন সেলিম। সৌদি আরবের জেদ্দায় কিং আবদুল আজিজ হাসপাতালে প্রায় দুই সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ইসমাইল হোসেনের বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর।
ইসমাইল দীর্ঘদিন ধরে জেদ্দা কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার ৫ নম্বর ছয়ানী ইউনিয়নের খোয়াজপুর চাপরাশিতে।
এ পর্যন্ত সৌদি আরবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশিদের মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে।

Monday, April 6, 2020

শিক্ষককে বাঁচাতে মধ্যরাতে স্ত্রীসহ রক্ত দিলেন এমপি আজিজ


 
 
 
 
 
 
 
 
 
এমপি ডা. আবদুল আজিজ তার স্ত্রী ডা. হাফিজা সুলতানা। ছবি : আমাদের সময়

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার এক শিক্ষকের জীবন বাঁচাতে সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. আবদুল আজিজ সস্ত্রীক রক্ত দিয়েছেন। গতকাল রোববার মধ্যরাতে ঢাকার ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে (বারডেম) ভর্তি ওই শিক্ষককে তারা রক্ত দেন।
জানা গেছে, রোববার বিকেলে তাড়াশ ইসলামিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সালাম হার্টের সাতটি ব্লক নিয়ে ওপেন হার্ট সার্জারির জন্য ওই হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে অপারেশনের জন্য ছয় ব্যাগ (এবি+) রক্ত লাগবে জানিয়ে নিজ ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দেন ওই শিক্ষক।
পরে রাত ১১টার দিকে তার আবেগঘন স্ট্যাটাসটি সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অধ্যাপক ডা. আবদুল আজিজের নজরে আসে। এরপরে তিনি গুলশানের বাসা থেকে স্ত্রী ডা. হাফিজা সুলতানাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। সে সময়ে তার গাড়িচালক ঘুমিয়ে পড়ায় তাকে না ডেকে নিজেই গাড়ি চালিয়ে রওনা হন শাহবাগের ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালে। সেখানে শিক্ষক আবদুস সালামকে দেখে তার চিকিৎসার খোঁজ-খবন নেন।
পরে স্ত্রীসহ এমপি আজিজ তাদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে অবশিষ্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে তিনি ও তার স্ত্রী দুই ব্যাগ রক্ত দেন। পরে হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে ওই শিক্ষককের চিকিৎসা বিষয়ে আলোচনা শেষে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় প্রধান শিক্ষক আবদুস সালাম ওই সাংসদ ও তার স্ত্রীর মানবিকতা দেখে কেঁদে ফেলেন। তিনি সবার কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চান।

সৌদি আরবে একদিনে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু




সৌদি আরবে করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে একদিনে মোট ৬ বাংলাদেশির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গতকাল রোববার দেশটির চারটি প্রধান শহর- মক্কা, মদিনা, জেদ্দা ও রিয়াদে তাদের মৃত্যু হয়।
আজ সোমবার খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেদ্দায় গতকাল রোববার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মান্নান মিয়া নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তবে এ প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত তার মৃত্যুর রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। তিনি মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার মাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম আজিজুল হক।
মক্কায় রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন মুহাম্মদ মানিক (৪০)। তিনি শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। বাংলাদেশে তিনি চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার গুমানমর্দ্দন ইউনিয়নের বালুখালীর বাসিন্দা ছিলেন।
জেদ্দায় মারা যান সিরাজুল ইসলাম। তিনি চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের হাতিরখুল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
মদিনায় মারা যান বেলাল মার্কেটের ব্যবসায়ী নুরুল আলম চাষী ও মোহাম্মদ ইউসুফ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। নুরুল চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ইউসুফ লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার দরবেশপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
রাজধানী রিয়াদে মোহাম্মদ হোসেন নামে ভোলার এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়। জেদ্দায় পাকিস্তানি সিরাজ বাওয়াদী এলাকায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সিরাজুল ইসলাম প্রকাশ। তিনি চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের হাতিরখুল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

Thursday, March 5, 2020

করোনাভাইরাস: কুয়েতগামীদের সনদ লাগবে

Wednesday, February 19, 2020

কম দক্ষ শ্রমিকদের ভিসা দেবে না যুক্তরাজ্য

স্টার অনলাইন রিপোর্ট
কম দক্ষ ও ইংরেজি বলতে না পারা শ্রমিকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে যুক্তরাজ্যের দরজা। ব্রেক্সিট পরবর্তী নতুন পরিকল্পনায় কম দক্ষতাসম্পন্ন শ্রমিকদের ভিসা দেয়া হবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।
ইউরোপ থেকে ‘সস্তা শ্রমিক’ নেয়ার ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর ব্রেক্সিট পরবর্তী সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নভূক্ত নন- সবাইকেই সমানভাবে দেখা হবে।
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিতি প্যাটেল বিবিসিকে জানান, দক্ষ শ্রমিকদের মূল্যায়ন করতে চায় সরকার সেইসঙ্গে যারা কম দক্ষতা সম্পন্ন তাদের যুক্তরাজ্যে আসা কমাতে চায়।
পরিকল্পনা অনুসারে দক্ষ শ্রমিকদের এ লেভেল অথবা স্কটিশ হাইয়ার্স সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকার কথা বলা হয়েছে। পয়েন্টের ভিত্তিতে অভিবাসন পদ্ধতি করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য সরকার। নতুন নিয়মে ৭০ পয়েন্ট থাকতে হবে দেশটিতে কাজ করতে আগ্রহীদের।
যারা ইংরেজি বলতে পারেন এবং অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চাকরির অফার পাবেন ৫০ পয়েন্ট পাবেন তারা।

ডেইলী স্টার।

Tuesday, February 18, 2020

প্রবাসীদের দারুণ সুখবর দিল কাতার সরকার

প্রবাসীদের দারুণ সুখবর দিল কাতার সরকার
সাময়িক বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশিদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হয়েছে কাতারের শ্রমবাজার।
এ সুসংবাদ জানার পর আরেকটি সুখবর পেলেন কাতারে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা।
তাহলো - এক মাসের জন্য নয়, অভিবাসীদের পরিবারের জন্য ৫ বছর মেয়াদী ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসা দেবে কাতার সরকার।
দেশটিতে বৈধভাবে কর্মরত প্রবাসীরা এখন থেকে ইচ্ছা করলে তাদের পরিবারের সদস্যদের খুব সহজেই নিয়ে আসতে পারবেন।
মঙ্গলবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফ্যামিলি রেসিডেন্স ভিসা আবেদনের নিয়মাবলীও জানিয়ে দেয়া হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
যা যা লাগবে:
১. আবেদনকারীর ভ্যালিড কাতার আইডির ফটোকপি।
২. আবেদনকারীর কাতারে কর্মরত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে সেটা ও সেলারি সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি।
৩. যাদের জন্য আবেদন করা হবে তাদের সবার পাসপোর্টের ফটোকপি।
৪. স্ত্রীর জন্য ম্যারেজ সার্টিফিকেট ও বাচ্চাদের জন্য তাদের জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট।
৫. পরিবারের কোনো সদস্যের বয়স যদি ১৮ বছরের ওপরে হলে তার জন্য নিজ ইউনিয়ন/উপজেলা/পৌরসভা অথবা সিটি কর্পোরেশন থেকে চারিত্রিক সনদপত্র নিতে হবে।
অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য:
১. ভিসা আবেদন ফর্মটি আরবিতে টাইপ করতে হবে এবং পাসপোর্টে দেয়া তথ্য অনুযায়ী সব তথ্য পূরণ করতে হবে।
২. আবেদন ফরম ও সঙ্গে দেয়া প্রতিটি কাগজ অবশ্যই স্পষ্ট ও বোধগম্য হতে হবে।
৩. যাদের জন্য আবেদন করা হবে তাদের সবাইকে বাংলাদেশে অবস্থিত ঢাকা বা সিলেটের কাতার ভিসা সেন্টারে মেডিকেল পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে।
৪. তথ্যগুলো কাতারের ভিসা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করার পর ভিসা এপ্রুভালের অনুমোদন প্রদান করবে।
৫. প্রতিটি আবেদনের জন্য ২০০ কাতার রিয়েল প্রদান করতে হবে।
৬. আবেদনকারীরা চাইলে মাতরাশ-২ (হুকুমি মোবাইল অ্যাপ) এর মাধ্যমেও আবেদন কর‍তে পারবেন।
ভিসা আবেদন ফরম ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন: ভিসা আবেদন ফরম
প্রসঙ্গত, কাতারে গত বছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশি প্রবাসীদের হাতে দুই জন নেপালি নাগরিক খুন হয়। এর প্রভাব পরে কাতারের শ্রমবাজারেও। কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য ভিসা বন্ধ করে দেয় কাতার সরকার। এতে বাংলাদেশ থেকে দেশটিতে জনশক্তি রফতানি বন্ধ হয়ে যায়।
তবে সম্প্রতি হঠাৎ করেই সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে কাতার প্রশাসন।

Thursday, February 13, 2020

আরও ১৮৩ শ্রমিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব

স্টার অনলাইন রিপোর্ট
সৌদি আরব আরও ১৮৩ জন প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীকে ফেরত পাঠিয়েছে। গত বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার ফিরে আসা এই শ্রমিকদের মধ্যে ২০ জন নারী রয়েছেন।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের দুটি ফ্লাইটে এই শ্রমিকরা ফিরেছেন। বুধবার রাত ১১টা ২০ মিনিটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করা ফ্লাইটে ৮৯ জন ও আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ১০ মিনিটে আরও ৯৪ জন এসেছেন।
প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক থেকে ফিরে আসা শ্রমিকদের খাবার ও পানীয় জলসহ জরুরি সেবা দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম এই ডেস্ক স্থাপন করেছে।
ব্র্যাক আরও জানায়, গত রাতে সৌদি আরব থেকে আট জন বাংলাদেশির মরদেহ পাঠিয়েছে সৌদি আরব।
ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান জানান, শুধুমাত্র জানুয়ারি মাসেই তিন হাজার ৬৩৫ জন বাংলাদেশি শ্রমিককে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি আরব। এদের মধ্যে অনেকেই ফিরেছেন খালি হাতে।
প্রবাসী শ্রমিকদের অসহায় অবস্থায় যেন ফিরতে না হয়, তার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের ফেরত পাঠানোর কারণ খুঁজে বের করার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও সৌদি আরবে বাংলাদেশের দূতাবাসের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Wednesday, February 12, 2020

লেবানন থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ৪৭১ প্রবাসীকে টিকেট প্রদান

টিকেট প্রদান
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে ৪৭১ জন প্রবাসী বাংলাদেশিকে টিকেট প্রদান করেন বৈরুত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আব্দুল মোতালেব সরকার।
দেশে ফিরতে যারা প্রথম ধাপে নাম নিবন্ধন করেছে তাদের মধ্য থেকে নারী-পুরুষ, অসুস্থ ২৪ জনসহ মোট ৪৭১ জনকে জেনারেল সিকিউরিটি থেকে ক্লিয়ারেন্স নিয়ে exist ভিসা পাওয়ার পর আজ তাদেরকে টিকেট প্রদান করে বাংলাদেশ দূতাবাস।
পূর্ব নির্ধারিত সময় সকাল ন'টা থেকে নারী এবং দুপুর ২টায় পুরুষকর্মীদের হাতে টিকেট প্রদান করার কার্যক্রম শুরু হয়। টিকেট পাওয়া প্রবাসীরা ১৫ থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি ছয়টি ফ্লাইটে দেশে ফিরবেন।
গত পাঁচ থেকে ছয় মাস লেবাননের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে হঠাৎ করে প্রবাসীদের কাজ কর্ম নেই, যাদের কাজ আছে তাদের মালিক ঠিকমতো বেতন দিতে পারছে না, লেবানিজ মূদ্রায় বেতন পেয়ে মানিগ্রামসহ বিভিন্ন মাধ্যমগুলো গ্রহণ না করাতে প্রবাসীরাও নিজ দেশে টাকা পাঠাতে পারছে না।
এমন অবস্থায় এদেশের সার্বিক পরিস্থিতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকজন দীর্ঘদিন যাবত দশ থেকে বারো বছরের অধিক বসবাসকারী দেশে ফিরতে আগ্রহী ছিল কিন্তু বর্তমানে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে তারা সবাই একসঙ্গে চলে যেতে চাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে প্রায় পাঁচ হাজার প্রবাসীর নাম নেয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, দূতাবাসে এই কার্যক্রম বন্ধ রেখে একটা নিরাপদ জায়গা খুঁজছে। যেখানে সকল প্রবাসীদের নাম নেয়া যায় তাই দূতাবাস চাচ্ছেন একটা স্টেডিয়াম বা একটা কমিউনিটি সেন্টার। পাওয়া মাত্রই অচিরে আবার নাম নেয়া শুরু করবেন। এ ধাপে স্বেচ্ছায় ফিরতে আগ্রহী সবার নাম নেয়ার আশ্বস্ত করে সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেন রাষ্ট্রদূত।
এছাড়া তিনি বলেন, ৪৭১ জনকে দেশে ফিরতে টিকেট দেয়া হয়েছে আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে আরও প্রায় ৪৭০/৪৭৫ জনের টিকেট দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। আগামী তারিখ থেকে এক-দেড় মাসের মধ্যে আরও প্রায় দুই হাজার জনকে টিকেট দেয়ার আশা ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রদূত।
অবশেষে দীর্ঘ সাড়ে চার বছর দূতাবাসের দায়িত্ব ইতি দিয়ে দেশে চলে যাচ্ছেন বলে সবার নিকট দোয়া চেয়েছেন। তিনি সকল প্রবাসীদের মঙ্গলময় জীবন কামনা করেন।

Saturday, February 8, 2020

অভিবাসী শ্রমিকদের কাফালা ব্যবস্থা বাতিল করছে সৌদি

কাফালা ব্যবস্থা বাতিল করছে সৌদি
ছবি: সংগৃহীত
বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ বিষয়ক ‘কাফালা’ ব্যবস্থা বাতিল করছে সৌদি আরব। শ্রমিকদের অধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বহু বছরের বিতর্কের জেরে কর্মীদের কাফালা বা স্পন্সরশিপ ব্যবস্থা বাতিল করতে যাচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
শনিবার সৌদি গেজেট এ খবর জানিয়েছে। কাফালা ব্যবস্থা কয়েক দশকের পুরনো ব্যবস্থা। বিদেশি শ্রমিকদের নিয়োগ দিতে এ ব্যবস্থা চালু করা হয়। এসব শ্রমিকের বেশিরভাগই দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।
এ ব্যবস্থায় সৌদি নিয়োগ কর্তাদের হাতে শ্রমিকদের পুরো দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে। কিন্তু এর সুযোগ নিয়ে সৌদি আরবে শ্রমিকদের নির্যাতনের অভিযোগ আছে তাদের নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে।
১৯৫০-এর দশকে প্রবর্তিত এ ব্যবস্থায় প্রবাসী শ্রমিকদের তাদের নিয়োগকর্তা ও স্পন্সরের নির্দেশে চলতে হয়। এমনকি তাদের অনুমতি ছাড়া সৌদি আরবে আসা-যাওয়া করা যায় না। এককথায়, নিয়োগকর্তা শ্রমিকদের ভিসা ও আইনি অবস্থান নিয়ন্ত্রণ করেন।
এ ব্যবস্থা শুধু সৌদি আরব নয়, পুরো উপসাগরীয় দেশগুলোতে প্রচলিত রয়েছে। মিডল ইস্ট মনিটর জানায়, মূলত নির্মাণ ও গৃহকর্মে নিযুক্ত শ্রমিকদের বড় ধরনের নির্যাতনের সম্মুখীন হতে হয়।
মজুরি না পাওয়া, কম মজুরি প্রদানসহ শারীরিক মারধরের মতো অভিযোগ নিয়মিত করছেন শ্রমিকরা। ২ বছর আগে কুয়েতে একটি ফ্রিজে ফিলিপাইনের এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
সৌদি গেজেট বলেছে, কাফালা ব্যবস্থা বাতিলের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তাতে করে শ্রমিকদের সৌদি আরবে যাওয়া ও সেখান থেকে চলে আসার স্বাধীনতা থাকবে। এতে তাদের নিয়োগকর্তা বা স্পন্সরের অনুমোদন লাগবে না। এছাড়া সরকারি অনুমোদন ছাড়াই কাজে যোগ দিতে পারবেন শ্রমিকরা।
খবরে আরও বলা হয়েছে, যদি এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয় তাহলে সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে এটি হবে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সংস্কার। যুবরাজের ভিশন ২০৩০ উদ্যোগে সৌদি অর্থনীতিতে তেলনির্ভরতা কমিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
উপসাগরীয় দেশগুলোতে কাফালা ব্যবস্থা বাতিল নিয়ে দীর্ঘদিনে ধরেই আলোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে কাতার এ ব্যবস্থায় কিছুটা সংস্কার এনেছে। দেশটিতে কর্মরত বিদেশি শ্রমিকরা নিয়োগকর্তার অনুমোদন ছাড়াই দেশত্যাগ করতে পারেন।
এর আগে ২০১৭ সালেও সৌদি আরব এ ব্যবস্থা বাতিলের উদ্যোগ নিচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা অস্বীকার করেছিল।
Jugantor

Friday, February 7, 2020

প্রকাশ : ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১০:৪৮ অনলাইন ভার্সন Share প্রিন্ট করুন printer ‘ডুয়িং বিজনেস উইথ বাংলাদেশ’ মেলা ফ্লোরিডায় ১৮ ফেব্রুয়ারি

‘ডুয়িং বিজনেস উইথ বাংলাদেশ’ মেলা ফ্লোরিডায় ১৮ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানানোর আহ্বানে সাড়া দিয়ে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে মায়ামী সংলগ্ন ব্রাউয়ার্ড কাউন্টি দিনব্যাপী এক সেমিনার-প্রদর্শনী- বাণিজ্য মেলার আয়োজন করেছে।
১৮ ফেব্রুয়ারি মিরামার সিটির কালচারাল সেন্টারে ‘ডুয়িং বিজনেস উইথ বাংলাদেশ’ (বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা কর) শীর্ষক এ বাণিজ্য মেলায় থাকবে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা ছাড়াও বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করছেন এমন প্রবাসীরা।
এ মেলা আয়োজনে সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে ফ্লোরিডাস্থ ‘বাংলাদেশি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স।’ সংগঠনের প্রধান আতিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহীদেরকেই এখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কী কী সেক্টরে বিনিয়োগ করলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হওয়া যাবে তা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলবেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা। এই মেলার মাধ্যমে বিনিয়োগে আগ্রহীদের একটি টিম ভিজিট করবে বাংলাদেশ। সে সময় তারা বাণিজ্য মন্ত্রী, বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মকর্তার সাথে বৈঠক ছাড়াও সম্ভাব্য এলাকা সফর করবেন।
উল্লেখ্য, ফ্লোরিডাভিত্তিক ৫১ দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের সমন্বয়ে গঠিত ‘বাই-ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স’ এর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট আতিকুর রহমানের চেষ্টায় শুধু বাংলাদেশে বিনিয়োগ নিয়ে ফ্লোরিডা তথা যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের বাণিজ্য মেলা আর কখনও হয়নি।
বিডি প্রতিদিন/কালাম

সাত মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১১ বিলিয়ন ডলার

সাত মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১১ বিলিয়ন ডলার
ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে প্রণোদনা দেওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে ইতিবাচক ধারায় রয়েছে রেমিট্যান্স। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ১ হাজার ১০৪ কোটি ১৯ লাখ (১১ দশমিক ০৪ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি। আর একক মাস হিসেবে গত জানুয়ারিতে দেশে ১৬৩ কোটি ৮৫ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।
গত বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে ১৬৮ কোটি ৭০ লাখ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা ছিল এক মাসের হিসাবে বাংলাদেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এখন পর্যন্ত এক মাসে সর্বোচ্চ ১৭৪ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে বাংলাদেশ। যা ২০১৯ সালের মে মাসে এসেছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য থেকে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারির চেয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারিতে প্রায় ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স বেশি এসেছে।
গত অর্থবছরের এই সাত মাসে ৯০৯ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। চলতি অর্থবছরের সাত মাসে এসেছে ১ হাজার ১০৪ কোটি ১৯ লাখ ডলার। শতাংশ হিসাবে জুলাই-জানুয়ারি সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছর রেমিট্যান্সের জন্য সুখরব নিয়ে শুরু হয়েছিল। প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছিল ১৫৯ কোটি ৭৭ লাখ ডলার। আগস্ট মাসে এসেছিল ১৪৪ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এরপর সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৪৭ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। অক্টোবর মাসে আসে ১৬৪ কোটি ডলার। নভেম্বরে এসেছিল ১৫৫ কোটি ৫২ লাখ ডলার।
অর্থবছর হিসাবে ২০১৮-১৯-এ ১৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। যা ছিল আগের বছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ছিল আরো বেশি। সে অর্থবছরে ১৭ দশমিক ৩২ শতাংশ রেমিট্যান্স বেড়েছিল।
বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উত্সাহ দিতে রেমিট্যান্সে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রবাসীরা এখন ১০০ টাকা দেশে পাঠালে যার নামে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি ঐ ১০০ টাকার সঙ্গে ২ টাকা যোগ করে ১০২ টাকা তুলতে পারছেন। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের জিডিপিতে ১২ শতাংশ অবদান রাখে প্রবাসীদের পাঠানো এই বৈদেশিক মুদ্রা।

Monday, February 3, 2020

উদ্ধারকৃতদের বিচ্ছিন্ন দ্বীপে নিল অস্ট্রেলিয়া


চীনের প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের ২৬টি দেশে। এ পরিস্থিতিতে সেখান থেকে নিজেদের নাগরিকদের উদ্ধার করছে বিভিন্ন দেশ। করোনাভাইরাস উপদ্রুত উহান থেকে ২৪৩ যাত্রী নিয়ে গতকাল সোমবার স্থানীয় সময় গভীর রাতে অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছায় একটি বিশেষ বিমান। যাত্রীদের মধ্যে ৮৯ শিশু রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃতদের একটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দেশটির সমুদ্রতীরবর্তী একটি কুখ্যাত ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তাদের। কান্তাস চার্টার ফ্লাইটটি ২৪৩ যাত্রী নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যন্ত পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর এক্সমোথের নিকটবর্তী বিমানবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে নামে। এরপর অস্ট্র্রেলিয়ার নাগরিক ও স্থায়ী বাসিন্দাদের একটি ছোট বিমানে করে ক্রিসমাস দ্বীপে পাঠানো হয়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেরিস পেইন বলেন, অত্যন্ত নিবিড় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বোর্ডিং ব্যবস্থাপনা হওয়ায় ফ্লাইটটির উহান ছাড়তে বিলম্ব হয়েছে। এ প্রক্রিয়ায় অভিবাসীদের চিকিৎসা পরীক্ষাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উদ্ধারকৃতদের কমপক্ষে ১৪ দিন বিচ্ছিন্ন দ্বীপে থাকতে হবে। খবর এএফপির।

করোনা ভাইরাস: কেমন আছে প্রবাসী কর্মজীবী বাংলাদেশিরা?

উহান থেকে তিনশ রও বেশি শিক্ষার্থী বাংলাদেশে ফিরে গেলেও চীন অবস্থান করছে কর্মজীবী বাংলাদেশিরা। চীনে চান্দ্র নববর্ষের ছুটিতে কেউ কেউ বাংলাদেশে চলে গেলেও অসংখ্য চাকরীজীবী, ব্যবসায়ী বাংলাদেশি তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে চীনেই থেকে গেছেন। ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে তাদের মাঝেও।
এএমশিন টেক লিমিটেড সেনজেন কোম্পানির কর্ণধার হাসান মো. একরামুল হক বাপ্পা বলেন, “সেনজেন বাংলাদেশ কমিউনিটির পক্ষ থেকে সেনজেনে বসবাসরত একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী হিসেবে আমি বলবো যে, এখানে সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সরকারি, আধা সরকারি অফিস আদালতের চীনা নববর্ষের ছুটি ১০ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কোনও প্রকার প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। যদি কোনও প্রয়োজনে  বাইরে যেতে হয় অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করার কথা বারবার বলা হয়েছে।”
চীনা নববর্ষের ছুটির শেষদিন ছিল সোমবার।
হাসান মো. একরামুল হক
হাসান মো. একরামুল হক
ব্যবসায়ী হাসান মো. একরামুল হক বলেন, “আরেকটি ব্যাপার হলো, প্রথম যখন ভাইরাসটি ধরা পড়েছিল তখন শাক-সবজি বা অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের যে ক্রাইসিস ছিল এখন সেটা নেই। সত্যিকার অর্থে বাইরে লোকজনের আনাগোনা খুবই কম। তবে যেহেতু এ মাসের দশ তারিখ থেকে ব্যবসায়ীরা তাদের কাজ শুরু করতে পারবেন, সেহেতু বিভিন্ন প্রদেশের নাগরিক যারা সেনজেনে ব্যবসা করেন, তারা অনেকেই ছুটি শেষে সেনজেনে ফিরতে শুরু করেছেন।”
বাংলাদেশ থেকে ব্যবসার উদ্দেশ্যে সেনজেন বা চীনের অন্যান্য প্রদেশে যারা আসা-যাওয়া করেন তাদেরকে পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক তথ্য জেনে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। 
মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন
মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন
করোনাভাইরাস নিয়ে সাংহাই এর উক্রিসেন্ট এ কর্মরত প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন বলেন, “আমি টেকনিক্যাল লিড, এক্সচেঞ্জ অনলাইন এক্সপার্ট হিসেবে কর্মরত আছি গত আটমাস যাবত। আমার অফিস লোকেশন সাংহাই এর মিনহাং জেলাতে। এখানে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া সত্ত্বেও বেশ খানিকটা আতংক আমাদের মাঝে বিরাজ করছে। প্রতিনিয়ত ছড়ানো বিভিন্ন গুজব  পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর করে তুলেছে। তবে আমাদের অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স এবং অফিস কর্তৃপক্ষ তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করায় কিছুটা হলেও আস্থার জায়গা তৈরি হয়েছে।”
“যেমন, অফিস থেকে প্রতিনয়ত মাস্ক দেওয়া হচ্ছে। একদম নতুন যারা কাজে যোগ দিয়েছেন অন্য প্রদেশ থেকে, তাদের ১৪ দিন এক জায়গায় রেখে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তারপর কাজে লাগানো হচ্ছে। একইসাথে অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ লবি, লিফট এরিয়া, কমনপ্লেসগুলো বারবার অ্যান্টিসেপ্টিক দিয়ে পরিষ্কার রাখছে।”
“সবাই তাদের জায়গা থেকে সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করছে। সর্বোপরি দেশে থাকা পরিবার, আত্তীয়স্বজনদের বলবো উদ্বিগ্ন না হয়ে, আমাদের জন্য দোয়া করার জন্য।”
হুমায়ুন কবির খাঁন
হুমায়ুন কবির খাঁন
এক্সপো ট্রেড গুয়াংজু লিমিটেডের মালিক হুমায়ুন কবির খাঁন বলেন, “আমি গুয়াংজুতে সপরিবারেই রয়েছি। বর্তমানে দুই-তিনটি বাংলাদেশি পরিবার এখানে আছে। আরও ১০/১৫টি চীনা পরিবার রয়েছে। চীনা নববর্ষের ছুটিতে এখন বাকি বাংলাদেশি পরিবারগুলো দেশে অবস্থান করছেন। এ মুহূর্তে করোনাভাইরাসের বিস্তারের কারণে আমরা গুয়াংজুতে উৎকণ্ঠার মধ্যে আছি। আমাদের এই প্রদেশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের অবস্থা থমথমে।
“অপ্রয়োজনে কেউ ভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। শহরের বিভিন্ন জায়গায় মেডিক্যাল টিম চেকআপ করছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা কিছুটা সীমিত করা হয়েছে। হাসপাতাল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কাঁচাবাজারের সরবরাহ কম, ফলে দাম বাড়ছেই। ছুটি শেষ হয়ে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার পর যেকোনও দুর্যোগ মোকাবেলায লোকাল সরকারকে পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হল বাস, মেট্রো এবং বাসার এলাকায় প্রবেশ করার সময় শরীরের তাপমাত্রা দেখা হয়, যাতে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রবেশ করতে না পারে; এতে বোঝা যায় সবার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ওরা বদ্ধ পরিকর।”

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি
ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশি। ছবি: সংগৃহীত
ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও এক বাংলাদেশি।
স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে আদম হাসপাতালের মর্গে নিয়ে গেছে। আহত অপর একজনকে নেজুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রোববার কাজ শেষে বাইসাইকেলে করে বাসায় ফেরার পথে ওমানের আদম এলাকায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ওই গাড়ির চালক ছিলেন ওমানি এক নারী।
নিহতদের মধ্যে দুই জনের বাড়ি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া ও একজনের কমলগঞ্জ উপজেলায়। অপরজনের বাড়ি কোন এলকায় তা নিশ্চিত করা যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস।
নিহতরা হলেন- মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের বিলেরপার গ্রামের মুসলিম আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৩৫), শরীফপুর ইউনিয়নের সঞ্জরপুর গ্রামের সবুর আলী (৩৩) ও কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের চিতলীয়া বাজারের টিলালাইন এলাকার আলম আহমেদ (৩৫)। অপরজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
 যুগান্তর।

Friday, January 31, 2020

জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮ বাংলাদেশি নিহত- যুগান্তর।

নিহত
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। চোর ডাকাতের গুলি, ডাকাতের দেয়া আগুনে পুড়ে ও হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এসব বাংলাদেশি প্রবাসীদের মৃত্যু হয়।
অপরাধপ্রবণ দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি প্রবাসীরা প্রতিনিয়ত মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে আসলেও বিগত ২০১৯ সাল থেকে এদেশে বাংলাদেশির মৃত্যুর হার আশংকাজনক হারে বেড়েছে।
অধিকাংশ বাংলাদেশিরা দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যবসা বানিজ্য করার কারণে প্রতিনিয়ত চোর ডাকাতের টার্গেট হয়ে থাকে।
সাধারণত দোকানপাটে চুরি ডাকাতির সময় অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও কিছু কিছু মৃত্যু বাংলাদেশিদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ব্যবসায়িক শত্রুতা ও নারী সংঘটিত কারণে ঘটে থাকে। যে সব হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হয়না।
এদিকে চলতি জানুয়ারি মাসে সর্বপ্রথম বাংলাদেশি নাগরিক খুনের শিকার হয় ১৩ জানুয়ারি।
দেশটির ইষ্টার্ণক্যাপ প্রভিন্সের পোর্ট এলিজাবেথ শহরে বাংলাদেশি প্রবাসী ব্যবসায়ী মুহাম্মদ হারুন টাকা নিয়ে ব্যাংকে যাওয়ার সময় নিজ গাড়িতে ডাকাতের গুলিতে নিহত হয়।
নিহত হারুনের বাড়ি ফেনীর দাগন ভূঁইয়া। ২২ জানুয়ারি শাকিল আহামদ নামে আরেক বাংলাদেশি নাগরিক নিজ দোকানে ডাকতের গুলিতে প্রান হারান।
নিহত শাকিলের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে।অপর দিকে ২৫ জানুয়ারি আবুল হাসনাত ও নুর মোহাম্মদ নামে অপর দুই বাংলাদেশি নিহত হয়।নুর মুহাম্মদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
নুর মুহাম্মাদের বাড়ি চট্টগ্রামের মিরশরাইতে এবং একইদিন আবুল হাসনাত নিজ দোকানের কর্মচারীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়।আবুল হাসনাতের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে।
২৬ জানুয়ারি উওম বনিক নামে আরেক প্রবাসী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে জোহানসবার্গ হাসপাতালে মৃত্যু বরণ করেন। উওম বনিকের বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে। ২৭ জানুয়ারি মোহাম্মদ আলী নামে আরেক প্রবাসী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। মোহাম্মদ আলীর বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচংয়ে।
সর্বশেষ ২৯ জানুয়ারি মুহাম্মদ বায়োজিদ নামে আরেক বাংলাদেশি নিজ দোকানে ডাকাতের গুলিতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। নিহত বায়েজিদের বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জে। এ নিয়ে নানা ঘটনা দুর্ঘটনায় মোট ৮ জন বাংলাদেশি দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাণ হারিয়েছেন।

Thursday, January 30, 2020

বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে বিমান পাঠানো হচ্ছে উহানে

বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে বিমান পাঠানো হচ্ছে উহানে
চীনে মরণঘাতী করোনাভাইরাসের আক্রমণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭০ জনে। আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ছাড়িয়েছে। এদিকে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে অবরুদ্ধ চীনের উহানে আটকে পড়া ৩৪১ জন বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনতে বিমান পাঠানো হচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট তাদের আনতে চীনের উদ্দেশে রওনা হবে।
জানা গেছে, শনিবার রাতে চীনের উহান থেকে ৩৪১ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনা হবে। এদের কেউই করোনা ভাইরাস আক্রান্ত নয়; তবু নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের আশকোনা হাজী ক্যাম্পে রাখা হবে। সেখানে কমপক্ষে ১৪ দিন তাদের থাকতে হতে পারে। শুক্রবার সকাল ৯:৩০ মিনিটে হাজী ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে চীনে থাকা বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে সরকার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ‘চীন থেকে ৩৭০ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরতে চান। আমরাতো তাদের আনতে রেডি। যখনই তারা আসতে চাইবে এবং চাইনিজ সরকার এ্যালাও করবে আমরা সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে আসবো। শুনেছি কোনো কোনো দেশ তাদের কূটনীতিকদের নিয়ে গেছে সেই ফাঁকে যদি অন্য কাউকে নিয়ে যায় সেটা জানি না।’ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম-২০২০’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের যারা ছেলে-মেয়ে আছে প্রায় ৩৭০ জনের তালিকা করা হয়েছে। ২২টা প্রতিষ্ঠানে ওরা ছড়িয়ে আছে। বিশেষ করে উহানের কথা বলছি, এমনিতেই চাইনিজরা যেটা করেছে সেটা হচ্ছে তাদের অসুখ-বিসুখ হলে চাইনিজ সরকার চিকিৎসা দিবে। আর আমরা এখানে মোটামাটিভাবে রেডি।’

বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ

Thursday, January 9, 2020

পেনসিলভেনিয়ায় সিটি কাউন্সিলম্যান পদে ৩ বাংলাদেশির শপথ

বিডিনিউজ২৪.কম
তারা হলেন- মো. নূরুল হাসান, মাহাবুবুল আলম ও শেখ মোহাম্মদ সিদ্দিক। গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হন এই তিন ডেমোক্রেটিক প্রার্থী।
সোমবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাদের শপথ পড়ান বিচারক হ্যারি জে কারাপলাইডস। তাদের মেয়াদ চার বছরের।
শপথ নিচ্ছেন শেখ সিদ্দিক
শপথ নিচ্ছেন শেখ সিদ্দিক
শপথ নিচ্ছেন মাহবুবুল আলম
শপথ নিচ্ছেন মাহবুবুল আলম
মিলবোর্ন সিটি কাউন্সিলম্যান মো. নূরুল হাসান ও মাহাবুবুল আলম দুজনেই চট্টগ্রামের সন্তান। শেখ মোহাম্মদ সিদ্দিকের বাড়ি মানিকগঞ্জে।তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ‘পিপলএনটেক’ ফিলাডেলফিয়া অফিসের প্রধান কর্মকর্তা নূরুল হাসান মিলবোর্ন বরোর নির্বাচিত কাউন্সিলম্যানদের ভোটে ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। এবারও তেমন সম্ভাবনা বলে শোনা যাচ্ছে।
এদিকে আগামী নির্বাচনে পেনসিলভেনিয়া রাজ্যের অডিটর জেনারেল পদে লড়ছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান নীনা আহমেদ। তিনি দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার এশিয়ান-আমেরিকান বিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। এছাড়া ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়রের দায়িত্বও পালন করেছেন।

চীনে সড়ক দুর্ঘটনায় রাজবাড়ীর শিক্ষার্থী নিহত

যুগান্তর
তুরাগ চৌধুরী ওরফে রিক
তুরাগ চৌধুরী ওরফে রিক। ছবি: সংগৃহীত
চীনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন রাজবাড়ী সদর উপজেলার তুরাগ চৌধুরী ওরফে রিক (২০) নামে এক শিক্ষার্থী।
মঙ্গলবার রাতে চীনের জিয়াংসুর চ্যাংঝুয়াং-এ অটোবাইকযোগে ছাত্রাবাসে ফেরার পথে দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত রিক উপজেলার দাদশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি রোকন উদ্দিন চৌধুরীর নাতি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার ফারুক চৌধুরীর ছেলে।
নিহতের ফুফাতো ভাই আরিফুল ইসলাম রোমান জানান, রিক চীনের চ্যাংঝু ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ারিং-এ হোটেল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি পার্টটাইম চাকরি করতেন। মঙ্গলবার রাতে কর্মস্থল থেকে অটোবাইকযোগে ফেরার পথে দুর্ঘটনাকবলিত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে চ্যাংঝু ইন্সটিটিউট কর্তৃপক্ষ ফোনে রিকের পরিবারকে জানিয়েছে। লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
নিহত রিকের বাল্যবন্ধু সোহানুর রহমান শুভ জানান, ‘রিক ২০১৭ সালে রাজবাড়ী সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে ঢাকার তেজগাঁও কলেজে ভর্তি হয়। সেখানে এইচএসসি অধ্যয়নরত অবস্থায় ২০১৮ সালের মে মাসে স্কলারশিপ নিয়ে চীনে চলে যায়।

দ্বীপটিতে থাকা-খাওয়া ফ্রি, মাসে পাবেন ৪৮ হাজার টাকা

যুগান্তর 
অ্যান্টিক্যাথেরা দ্বীপ
অ্যান্টিক্যাথেরা দ্বীপ। ছবি: সংগৃহীত
কংক্রিটের এই জীবন থেকে ছেড়ে যদি পেতে চান নির্মল বাতাস, আর প্রাকৃতিক জীবন; তাহলে এটি আপনার জন্য সুখবর।
গ্রিসের এথেন্স থেকে উড়োজাহাজে ৪৫ মিনিটের পথ। আর দ্বীপটির নাম অ্যান্টিক্যাথেরা। নিরিবিলিতে পরিবারসহ সারাজীবন কাটিয়ে দিতে চাইলে চলে যেতে পারেন এই দ্বীপে। খবর দ্য টেলিগ্রাফের।
এখানে বসবাসের জন্য গ্রিস সরকারের পক্ষ থেকে প্রতি পরিবারকে দেয়া হবে বিনামূল্যে বাড়ি ও খাবার। সঙ্গে প্রতি পরিবারকে দেয়া হবে ৫০০ ইউরো, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪৭ হাজার ৬০০ টাকা।
বর্তমানে এই দ্বীপে মাত্র ২৪ জন মানুষের বাস। গ্রিস প্রশাসন চাইছে সেখানকার জনসংখ্যা বাড়াতে। তাই বাইরে থেকে মানুষ এনে এখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা করছে প্রশাসন।
তবে গ্রিস সরকার সেই সব পরিবারকে অগ্রাধিকার দিতে চাইছে যাদের অন্তত ৩টি সন্তান রয়েছে। এই দ্বীপে বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট সবই আছে।

গ্রিসে দোয়েল সংগঠনের উদ্যোগে বাংলাদেশে শীতবস্ত্র বিতরণ

যুগান্তরঃ

শীতবস্ত্র
বাংলাদেশ দোয়েল সাংস্কৃতিক সংগঠন ও দোয়েল একাডেমির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। ৫ জানুয়ারি উত্তরাঞ্চলের অসহায় শীতার্থ মানুষের মাঝে এ শীতবস্ত্র বিতরণ করেন সংগঠনের কর্মীরা।
সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. নাজমুল হকের পরিচালনায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে অসহায় শীতার্থ মানুষের সঙ্গে বিজয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়ার জন্য সভাপতি আব্দুর রহিম মোল্লা শীতবস্ত্র বিতরণের প্রস্তাব করেন।
বাংলাদেশ দোয়েল একাডেমির পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন দেওয়ান, সভাপতি আব্দুর রহিমের সঙ্গে একমত হন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রদূত মো. জসীম উদ্দিন (এনডিসি), দূতাবাসের কাউন্সিলর মো. খালিদ ও দূতাবাসের কাউন্সিলর ড. সৈয়দা ফারহানা নুর চৌধুরী।
বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রীসের সভাপতি হাজী মো. আ. কুদ্দুস ও সিনিয়রসহ সভাপতি হাজী আহসানউল্লাহ্ হাসান এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ইন গ্রিসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী মোশারফ হোসেন লিয়াকত, বৃহত্তর ঢাকা কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি হাজী মোক্তার হোসেন, বাংলাদেশ দোয়েল একাডেমির সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন রনি, বৃহত্তর ফরিদপুর কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি মো. আবিদ হানজালা ও গ্রীস বিএনপি’র সভাপতি মো. মোখলেছুর রহমান, বাংলাদেশ দোয়েল সাংস্কৃতিক সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি আ. কুদ্দুস শিকদার, উপপ্রধান উপদেষ্টা আব্দুর রাজ্জাক টিটো, সহসভাপতি শওকত ইমাম, সহসভাপতি জাহিদুল হক, সহসভাপতি আনাম মোহাম্মদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রায়হান খান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শেখ শাহীন আক্তার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শামীম আশরাফ, সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক পাভেল ভূইয়া, প্রচার সম্পাদক মো. শিমুল হোসেন, আপ্যায়ন সম্পাদক সুজন গাজী, মহিলা সম্পাদিকা নুরুন্নাহার (নানী), সহ মহিলা সম্পাদিকা হাসিনা সুলতানা নীলা, বাংলাদেশ দোয়েল একাডেমির শিক্ষিকা খন্দকার মেভিজ পরমা ও মহিলা সম্পাদিকা বিথি খলিফা, সহসম্পাদিকা নূরজাহান শিউলী প্রমুখ।

মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের রেমিট্যান্সে দেশ দাঁড়িয়ে আছে

যুগান্তর।
রেমিটেন্স
মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখছে। বৈধপথে টাকা পাঠিয়ে প্রতিবছর সি আই পির মর্যাদা পাচ্ছেন মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা।
সরকারের ঘোষিত অর্থনৈতিক মুক্তাঞ্চলে প্রবাসীদের জন্য আলাদা অঞ্চল গঠনের দাবি জানিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ২ দিনব্যাপী মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম বিজনেস সাম্মিটে এ দাবি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুবাই এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
৭ এবং ৮ জানুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক নগরী দুবাইয়ের একটি অভিজাত হোটেলে এ সাম্মিটে বিশ্বের ২০টি দেশের ৫০০ প্রবাসীর উপস্থিতি ছিল।
এ সময় নিশ্চিন্তে বাংলাদেশ বিনিয়োগ করতে বিদেশিদের আহ্বান করা হয়। স্থানীয় আরবীসহ নানা দেশের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহীরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম দিনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান, দুবাইয়ে নিযুক্ত কনসাল জেনারেল ইকবাল হোসেন খানসহ বিশ্বের নানাদেশ থেকে আসা বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতারা। দ্বিতীয় দিনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাইয়ের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর কামরুল হাসান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি সি আইপি মাহতাবুর রহমান নাসির, সহসভাপতি সি আইপি মাহবুবুল আলম, রাজা মল্লিক, সাম্মিটের আহ্বায়ক আইয়ুব আলী বাবুল ও সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন আহমদসহ আরও অনেকে।
২ দিনেই নানা প্যানেলে দেশের রেমিটেন্স, গার্মেন্টস, শ্রম শিল্প, রপ্তানি ও আমদানি শিল্পের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের নানা দেশের বিনিয়োগের কথা তুলে ধরে অন্য দেশেরও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের নানা মুক্তাঞ্চলে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়।
২ দিনব্যাপী জমকালো এ আয়োজনের শেষ দিনে বাংলাদেশের ঐতিহ্য নাচে গানে তুলে ধরেন বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পীরা। গানে মাতান দেশের বরেণ্য শিল্পী পিন্টু ঘোষ।

বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া!

যুগান্তর

মালয়শিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলা সেগারান
মালয়শিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলা সেগারান।
বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া। এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন মালয়শিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলা সেগারান।
সোমবার দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী এম কুলা সেগারান বলেছেন, নেপালের কর্মী নিয়োগের অনুরূপ চুক্তি করা হবে বাংলাদেশের সঙ্গে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
তবে ব্যয় ও স্বচ্ছতা ব্যবস্থার সমাধান হওয়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ।
রোববার এ কথা বলেছিলেন বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী। তার একদিন পরই বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে শ্রমিক নেয়ার বার্তা এলো মালয়শিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর কাছ থেকে।
স্থানীয় সময় ৭ জানুয়ারি দেশটির মালয়েশিয়াকিনি নামক দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ, মালয়েশিয়ায় মার্কিন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি এড়ানোর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে ‘শূন্য-ব্যয়ে’ কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হতে সুযোগ সৃষ্টি করে মালয়শিয়ার সরকার। ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট সে সুযোগের মেয়াদ শেষ হয়। এ সময়ের মধ্যে বহু বাংলাদেশি বৈধ হন। তবে বৈধ হওয়ার সুযোগ পেয়ে বহু বাংলাদেশি নিবন্ধিত হয়েও প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
এরপর ২০১৯ সালের ১ আগস্ট থেকে অবৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফিরতে সরকার ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচি চালু করে। গত ৩১ ডিসেম্বরে কর্মসূচিটি শেষ হয়েছে।

Thursday, January 2, 2020

শিল্প ও বাণিজ্য প্রবাসী আয়ে রেকর্ড

প্রবাসী আয়ে রেকর্ড
সদ্য সমাপ্ত বছরে বাংলাদেশের প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। রপ্তানি কমে যাওয়ার মধ্যে তেজি রেমিট্যান্স প্রবাহ অর্থনীতিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়া ডলারের বিপরীতে টাকার দর স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করেছে।

২০১৯ সালে বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এক হাজার ৮৩৩ কোটি ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়েছেন। ২০১৮ সালের তুলনায় বেড়েছে ২৭৮ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এর আগে এত বড় অংকের রেমিট্যান্স কোনো বছরে আসেনি। প্রণোদনা কার্যকরের পর শেষ ৬ মাসে রেমিট্যান্স বেশি বেড়েছে। শেষ ৬ মাসে বেশি এসেছে ৪৮ কোটি ডলার।

গত জুলাই থেকে ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা, ডলারের দর বৃদ্ধি, খোলাবাজারের সঙ্গে ব্যাংকিং চ্যানেলের দরের পার্থক্য কম থাকাসহ নানা কারণে প্রবাসী আয়ে অনেক উন্নতি হয়েছে। আবার এজেন্ট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন উপায়ে টাকা নেওয়ার সুযোগও রেমিট্যান্স বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। কোনো ঝামেলা ছাড়াই সুবিধাভোগীকে প্রণোদনার অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সুবিধাভোগী সহজে যেন বিদেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের অর্থ নিতে পারেন এ লক্ষ্যে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে সরাসরি বিতরণের সীমা ৩০ হাজার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ২৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। একবারে ১৫শ' ডলার পর্যন্ত অর্থ পাঠালে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই প্রণোদনার অর্থ সুবিধাভোগীকে দিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছর বিবেচনায় গত ৬ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ে ৯৪০ কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ২০১৮ সালের একই সময়ে এসেছিল ৭৫০ কোটি ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক কাজী ছাইদুর রহমান সমকালকে বলেন, রেমিট্যান্স বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে প্রণোদনা। সরকারের দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে অনেকে এখন ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে আকৃষ্ট হচ্ছেন। আগামীতেও রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা করেন।

চাহিদা বৃদ্ধির ফলে গত কয়েক বছরে ডলারের দর বেড়ে যায়। ২০১৬ সাল থেকে ডলারের দর একটু করে বেড়ে ৭৮ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৮৪ টাকা ৯০ পয়সায় উঠেছে। এর মানে, গত চার বছরে প্রতি ডলারের দর বেড়েছে ৬ টাকা ২০ পয়সা। এ সময়ে খোলাবাজারের দরের সঙ্গে ডলারের দরে অনেকটা সামঞ্জস্য এসেছে। আগে ব্যাংকিং চ্যানেলের সঙ্গে খোলাবাজারে ডলারের দরে ৩ থেকে ৪ টাকা পার্থক্য ছিল। এখন ব্যবধান ১ টাকার নিচে নেমেছে।

ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী সমকালকে বলেন, আগে সরাসরি ব্যাংকের শাখা থেকে রেমিট্যান্স নিতে অনেক দূরে যেতে হতো। এখন এজেন্ট ব্যাংকিং বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বাড়ির পাশের আউটলেট থেকেই সুবিধাভোগীরা টাকা তুলতে পারছেন। সরকারের প্রণোদনা রেমিট্যান্স বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে। আগামীতে রেমিট্যান্স আরও বাড়বে। কেননা, এখন অনেক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে নামছে।

সাধারণভাবে প্রতি বছরই রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ওপরে থাকে। তবে ২০১৫ সাল থেকে টানা তিন বছর কমে যায় রেমিট্যান্স। বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে সরকার। সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যংকের বিভিন্ন পর্যালোচনায় উঠে আসে, মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে সহজে হুন্ডি, দীর্ঘদিন ধরে টাকার দর এক জায়গায় স্থিতিশীল থাকাসহ বিভিন্ন কারণে রেমিট্যান্স কমছিল। তবে হুন্ডি ঠেকাতে নানা উদ্যোগসহ বিভিন্ন কারণে রেমিট্যান্স বেড়েছে। যে কারণে রপ্তানি কমলেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার ৩২ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।

রেমিট্যান্স ছাড়া অর্থনীতির অন্য অনেক সূচকের গতি কমে গেছে। গত নভেম্বর পর্যন্ত চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ১৩০ কোটি ডলার বা ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। রাজস্ব আয়ে লক্ষ্যমাত্রার অনেক নিচে আছে সরকার। গত অক্টোবর পর্যন্ত রাজস্ব আয়ে মাত্র ৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। 
 
সমকাল